Sabbir Rahman 122 off 61 ball in BPL 2016 Inning Highlights Barisal Bulls vs Rajshahi Kings

Sabbir Rahman 122 off 61 ball in BPL 2016 Inning Highlights Barisal Bulls vs Rajshahi King

Sabbir Rahman 122 off 61 ball in BPL 2016 Inning Highlights Barisal Bulls vs Rajshahi KingsSabbir Rahman 122 off 61 ball in BPL 2016 Inning Highlights Barisal Bulls vs Rajshahi KingsSabbir Rahman 122 off 61 ball in BPL 2016 Inning Highlights Barisal Bulls vs Rajshahi KingsSabbir Rahman 122 off 61 ball in BPL 2016 Inning Highlights Barisal Bulls vs Rajshahi KingsSabbir Rahman 122 off 61 ball in BPL 2016 Inning Highlights Barisal Bulls vs Rajshahi Kings

 

meti quality

মেথির জাদুকরী উপকারিতা জেনে নিন

মেথির জাদুকরী উপকারিতা জেনে নিন


মেথি বীজ বহুমুখী গুণ সম্পন্ন মসলা যা বিভিন্ন প্রকার রান্নায় ব্যবহার করা হয়। নানাবিধ ঔষধি গুণাগুণের চাইতেও সুগন্ধের জন্য বেশি পরিচিত মেথি। স্বাস্থ্য উপকারিতা ছাড়াও মেথির সৌন্দর্য উপকারিতাও রয়েছে। সহজলভ্য মেথি ত্বক ও চুলের দামী পণ্যের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। আসুন তাহলে একে একে জেনে নিই মেথির স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য উপকারিতা এবং এর ব্যবহার প্রণালী।

১। খুশকি দূর করে


চুলের একটি সাধারণ সমস্যা হচ্ছে খুশকি যা মাথার তালুর মরা চামড়ার কারণে হয়। আপনি যদি অ্যান্টি-ডেন্ড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করে ক্লান্ত হয়ে থাকেন তাহলে প্রাকৃতিক শক্তি ব্যবহার করার এখনই সময়। আর সেই প্রাকৃতিক শক্তি হচ্ছে মেথি। মেথি বীজ সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন নরম হওয়ার জন্য। সকালে নরম মেথি বীজ পিষে পেস্ট করে নিন। ভালো ফল পেতে মেথির পেস্টের সাথে টকদই মিশিয়ে নিতে পারেন। এই মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় ভালো করে ম্যাসাজ করে লাগান। ৩০ মিনিট পরে চুল ধুয়ে ফেলুন এবং খুশকিকে বিদায় বলুন।

২। ব্রণ নিয়ন্ত্রণ করে.


মেথি বীজ ব্রণের বিস্তারকে প্রতিরোধ করে এবং ব্ল্যাকহেডস দূর করতেও সাহায্য করে। ত্বকের এপিডারমিস স্তরে জড়ো হওয়া বিষাক্ত উপাদানকে বাহির করে দেয়। এছাড়াও ব্রণের দাগকে হালকা করতে এবং পোড়াদাগ দূর করতেও সাহায্য করে মেথি বীজ। মেথি বীজের পেস্টের সাথে মধু যোগ করে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট মুখের ব্রণের উপর লাগিয়ে সারারাত রাখুন এবং সকালে কুসুম গরম পানি দেয়ে ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিনের মধ্যেই পার্থক্য দেখতে পাবেন।

৩। ওজন কমতে কার্যকরী


মেথি বীজে ফাইবার থাকে যা পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। খালি পেটে মেথি বীজ চিবালে ক্ষুধা কমে। এছাড়াও ২ গ্লাস পানিতে ১ টেবিল চামচ মেথি বীজ ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। এই মেথি ভেজানো পানি পান করলে শরীরে পানি জমা বা পেট ফাঁপার সমস্যা দূর করে।

৪। দীপ্তিময় ত্বক পেতে সাহায্য করে


মেথি বীজ শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেল ধ্বংস করতে সাহায্য করে যা রিঙ্কেল, ফাইন লাইন এবং ডার্ক স্পটের মত ফেসিয়াল প্রবলেমের জন্য দায়ী। মেথি বীজ স্কিনটোন হালকা হতে সাহায্য করে। মেথির পেস্ট, মেথি ভেজানো পানি, বেসন এবং দই এর ফেসপ্যাক ত্বকের মরা চামড়া ও ডার্ক সার্কেল দূর করতে সাহায্য করে।

৫। পরিপাকে সাহায্য করে


বুক জ্বালাপোড়া করা ও পরিপাকের সমস্যা সমাধানে কার্যকরী প্রতিকার হচ্ছে মেথি বীজ খাওয়া। মেথির পেস্টের সাথে আদা কুঁচি মিশিয়ে খাওয়ার পূর্বে ১ টেবিল চামচ করে খান।

৬। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে


মেথি বীজ রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। মেথির এমাইনো এসিড অগ্নাশয়ের ইনসুলিন নিঃসরণকে উৎসাহিত করে যা ব্লাড সুগার লেভেল কমতে সাহায্য করে। মেথি বীজ খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উন্নতি ঘটায় বলে গবেষণায় জানা যায়।

এছাড়াও জাদুকরী গুণের অধিকারী মেথি বীজ খেলে কিডনি পাথর প্রস্রাবের মাধ্যমে বাহির হয়ে যায়, জ্বর কমতে সাহায্য করে মেথি বীজ এবং মেয়েলি সমস্যা সমাধানেও সাহায্য করে মেথি বীজ।

kola kla

জেনে নিন সাধারণ কলার অসাধারণ উপকারিতা পুষ্টি

১। স্থূলতা কমায়


কলা খেয়ে আপনি আপনার মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছাপূরণ করতে পারেন। গড়ে একটি কলায় মাত্র ৯০-১১০ ক্যালরি থাকে। তাই ওজন কমতে সাহায্য করে কলা। কলাতে প্রচুর ফাইবার থাকে এবং খুব সহজে হজম হয়ে যায়। তাছাড়া কলাতে কোন ফ্যাট থাকেনা। কলা খেলে পেট ভরা থাকে। কারণ কলা ক্ষুধা সৃষ্টিকারী হরমোন গ্রেলিন নিঃসরণে বাধা দেয়। তাই বেশি খাওয়ার প্রবণতাও কমে। এভাবে সুস্থ থাকার পাশাপাশি ওজন কমতে সাহায্য করে কলা।


২। হাড়কে শক্তিশালী করে


শক্তিশালী হাড়ের গঠনের গ্যারান্টি দিতে পারে কলা। কারণ কলাতে আছে ফ্রুক্টোলাইকোস্যাকারাইড যা এক ধরণের প্রিবায়োটিক যা অবশেষে প্রোবায়োটিকে পরিণত হয়। প্রিবায়োটিক হচ্ছে এমন কার্বোহাইড্রেট যা মানুষের শরীরে হজম হয়না। প্রোবায়োটিক হচ্ছে অন্ত্রের উপকারি ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া খনিজ ও পুষ্টি উপাদানের দ্বারা উদ্দীপিত হয়। কলা ক্যালসিয়ামের শোষণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে হাড়কে শক্তিশালী করে।


৩। আরথ্রাইটিস


কলায় অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান আছে। তাই আরথ্রাইটিসের প্রদাহ, ফোলা ও যন্ত্রনা কমাতে পারে কলা। প্রতিদিন ১ টি কলা খেয়ে ব্যথামুক্ত থাকতে পারেন।


৪। ওজন বৃদ্ধি করে


কলা ওজন কমাতে সাহায্য করার পাশাপাশি ওজন বৃদ্ধিতেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। দুধের সাথে কলা খেলে ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পায়। দুধ প্রোটিন সরবরাহ করে আর কলা চিনি সরবরাহ করে। এছাড়াও কলা যেহেতু সহজে হজম হয়ে যায় তাই একজন মানুষ খুব সহজেই ৫-৬ টি কলা খেতে পারেন। এর ফলে ৫০০-৬০০ ক্যালরি গ্রহণ করা হয় যার মাধ্যমে ওজন বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া কলা দ্রুত এনার্জি প্রদান করতে সক্ষম।


৫। কোষ্ঠকাঠিন্য


কলায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার থাকে যা বাউয়েল মুভমেন্টকে মসৃণ করে। যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। অন্ত্রের অন্যান্য রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে কলা। কোলোর‍্যাক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলা।


৬। আলসার


প্রাচীনকাল থেকেই কলা এন্টাসিড ফুড হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। কারণ কলা অন্ত্রের এসিডের নিঃসরণ কমায়। কলাতে প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর আছে যা পাকস্থলীর আলসার সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে দূর করে। হার্টবার্ন কমতে সাহায্য করে কলা।


৭। কিডনি ডিজঅর্ডার


কলা বিভিন্নভাবে কিডনির সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। পটাসিয়াম দেহের তরলের ভারসাম্য রক্ষা করে ও মূত্রত্যাগে উৎসাহিত করে। বেশি পরিমাণে ইউরিনেশনের মাধ্যমে শরীর বিষমুক্ত হয়। এছাড়াও কলাতে পলিফেনোলিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকে যা কিডনির কাজের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।


৮। চোখের স্বাস্থ্য


অন্য অনেক ফলের মতোই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ক্যারোটিনয়েডে পরিপূর্ণ এবং সঠিকমাত্রার খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। স্বাভাবিক মাত্রায় কলা ও অন্যান্য ফল খাওয়ার ফলে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন, ছানি, রাতকানা ও গ্লুকোমার প্রকোপ কমায়।


৯। অ্যানেমিয়া


কলায় উচ্চমাত্রার আয়রন থাকে বলে অ্যানেমিয়া দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে কলা। লাল রক্ত কণিকার উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে আয়রন।


১০। কার্ডিওভাস্কুলার সুরক্ষা


কলা বিভিন্নভাবে কার্ডিওভাস্কুলার সুরক্ষা প্রদান করে। কলাতে পটাসিয়াম থাকে, আর পটাসিয়াম রক্তচাপ কমায়। কলা ভাসুডিলেটর হিসেবে কাজ করে, ধমনী ও শিরার টেনশন কমিয়ে এদের মধ্য দিয়ে রক্ত চলাচলকে মসৃণ করে এবং বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন পৌঁছে দিয়ে তাদের কাজের উন্নতি ঘটায়। এর মাধ্যমে এথেরোসক্ল্যারোসিস, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। কলার ফাইবার রক্তনালীর অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কমায়।


 

জেনে নিন ভুঁড়ি কমানোর কিছু সহজ উপায় | ভুঁড়ি পালাবে ৩০ দিনেই

জেনে নিন ভুঁড়ি কমানোর কিছু সহজ উপায় | ভুঁড়ি পালাবে ৩০ দিনেই

শহুরে যান্ত্রিক জীবনে ইদানিং আমাদের দৈহিক শ্রম কমে এসেছে, বেড়েছে মানসিক শ্রমের প্রয়োজন। আর তাই দীর্ঘ সময় বসে বসে কাজ করা, কায়িক পরিশ্রম কম করার কারণে অনেকেরই পেটে চর্বি জমার প্রবণতা দেখা দেয়। এতে শুধু দেখতেও খারাপ লাগে না বরং পেটের এই অতিরিক্ত চর্বির কারণে বেড়ে যায় ওজন এবং এর চাপ পড়ে পায়ের ওপর। এর ফলে অসময়েই ক্ষয়ে যেতে পারে পায়ের হাড়! এছাড়াও হতে পারে আরো নানান শারিরীক সমস্যা।
পেটের এই বাড়তি চর্বি/ ভুড়ি কমাবার জন্যে রইলো কিছু কার্যকর টিপসঃ

১) হাঁটুনঃ
প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটুন। যে দূরত্বে হেঁটেই যেতে পারবেন সেখানে রিকশা করে যাবেন না। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটুন। প্রথম কিছুদিন ক্লান্ত লাগলেও কয়েক দিন পর এটা আপনার অভ্যাসে পরিণত হবে।

২) ভাজা পোড়া কম খানঃ
ভাজা পোড়া জাতীয় খাবার কম খান। চেষ্টা করুন কম তেলে রান্না করা বা সেদ্ধ করা খাবার খেতে।

৩) ফাস্টফুডকে না বলুনঃ
কোনভাবেই ফাস্টফুড খাবেন না। মেয়োনেজ, পনির, সস, তেল, মাখন এসব আপনার পেটে চর্বি জমতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
৪) ঘুমাবার আগে হাঁটুনঃ
ভুঁড়ি হবার অন্যতম কারণ খাবার ঠিকভাবে হজম না হওয়া। ঘুমাবার অন্তত দুই ঘন্টা আগে রাতের খাবার খান এবং খেয়ে কিছুক্ষণ হাঁটুন। এতে খাবার ভালোভাবে হজম হবে। পেট বাড়বে না।

৫) লিফট নয় সিঁড়িঃ
অফিস বা বাসায় যতটা সম্ভব লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। এটা পেটের জমে থাকা চর্বি অপসারণের খুব ভাল উপায়। এতে পেটের উপর চাপ পড়ে ও আস্তে আস্তে চর্বি কমতে থাকে।

৬) অভ্যাসে সচেতন হোনঃ
চেষ্টা করুন সব সময় সোজা হয়ে দাঁড়াতে, বসতে ও হাঁটতে। কুঁজো হয়ে হাঁটবেন বা বসবেন না। দীর্ঘ সময় কুজো হয়ে এক স্থানে বসে থাকা, কম্পিউটারে কাজ করা এসবের কারণে ভুঁড়ি বেড়ে যায়। প্রতি এক ঘন্টা অন্তর একবার উঠে দাঁড়ান ও সোজা হয়ে বসুন।

৭) খাবার গ্রহণে নিয়ম মেনে চলুনঃ
দিনে তিন বেলা ভারী খাবার খাওয়ার চেয়ে ৫ বেলা কম করে খান। একেবারে না খেয়ে থাকা ঠিক নয়। ভাত খাবার চেয়ে ফল বা সবজি বেশি করে খান। পেট ভরবে কিন্তু ভুঁড়ি বাড়বে না।

৮) পানীয়ঃ
কোক বা সফট ড্রিঙ্কস আপনাকে কিছুক্ষণের জন্যে প্রশান্তি দিতে পারে কিন্তু এটা আপনার পেটে চর্বি জমানোর পেছনে দায়ী। একই ভাবে বাজারের ফ্রুট জুসে থাকা প্রচুর চিনি ও অন্যান্য উপাদান আপনার ভুঁড়ি তৈরীতে সহায়ক। তাই এর বদলে প্রচুর পানি, বাসায় বানানো ফলের জুস, ফ্রুট সালাদ হতে পারে খুব ভালো বিকল্প।

৯) একটি বিশেষ ব্যায়ামঃ
একটি বড় বল নিন। সেই বলের ওপর দু পা তুলে দিয়ে চিত হয়ে শুয়ে পরুন। এবার নিজের পায়ের পাতা স্পর্শ করতে চেষ্টা করুন বা উঠে বসতে চেষ্টা করুন। এভাবে দৈনিক ২০ বার করুন। আস্তে আস্তে বাড়িয়ে ৫০ বার করে ফেলুন। ভুঁড়ি কমাতে এর চাইতে কার্যকরী ব্যায়াম কম আছে। খুব কম সময়ে পেটের মেদ ঝরিয়ে সুন্দর আকারে চলে আসবে আপনার শরীর।
যা খুশি খান, কিন্তু যদি পরিশ্রম না করেন, তাহলে ভুঁড়ি হবেই। তাই রসনা বিলাসের পাশাপাশি যদি সামান্য একটু ব্যায়াম করেন তাহলে ভুঁড়ি পালাবে ৩০ দিনেই।
আসুন জেনে নেয়া যাক সেই সামান্য ব্যায়ামের ধরণ-
• প্রথমে মেঝেতে সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন।
• হাত দুটো মাথার পেছনে রাখুন। দুটো পা সোজা করে একটু ওপরে তুলুন।
• এবার বাম পা সোজা রেখে ডান পা ভেঙে বুকের কাছে আনুন।
• কোমর থেকে ওপরের অংশে বাম দিকে একটু কাত করুন।
• একইভাবে ডান পা সোজা রেখে বাম পা ভেঙে আবার করুন, যেন মনে হয় আপনি শুয়ে শুয়ে সাইকেল চালাচ্ছেন।
এই ব্যায়ামটি এক মিনিট করে প্রতিদিন ৩ বার করার চেষ্টা করুন। এটি আপনার পেটের পেশীর ওপর চাপ সৃষ্টি করবে, আর ভুঁড়ি পালাবে ধেই ধেই করে।
মেদ ভুড়ি এখন আর কোন সমস্যা নয়
নৌকা চালানোর মতো ব্যায়াম করুন
এই ব্যায়ামের ভঙ্গিমাটা অনেকটা নৌকা চালানোর মতো।
• প্রথমে মেঝেতে বসুন।
• পা দুটো সোজা করে সামনের দিকে ছড়িয়ে দিন।
• হাত দুটো সোজা করে হাঁটু বরাবর রাখুন।
• মেরুদণ্ড সোজা রাখুন। এবার ডান দিকে দুই হাত দিয়ে বৈঠা চালান। একইভাবে বাম দিকে করুন। এভাবে তিন মিনিট করুন। মনে রাখবেন, শুধু বৈঠা চালানোর মতো ভঙ্গি করলেই হবে না, দূর থেকে কেউ দেখে যেন মনে করতে পারে আপনি অনেক পরিশ্রম করে বৈঠা চালাচ্ছেন।
এই দুটি ব্যায়ামই আপনার পেট ও পাঁজরের নিচের অংশের চর্বি ঝরিয়ে দেবে। তবে তা করতে হবে নিয়ম মেনে এক্কেবারে পাক্কা ৩০ দিন। দেখবেন ভুঁড়ির জন্য আর কেউ বলবে না, পেটুক।

1 2